---
title: "Měnghǎi Zhānglǎng chá"
url: https://thetea.app/bn/article/menghai-zhanglang-cha
lang: bn
updated: 2026-10-04
source: THE TEA — encyclopedia of Chinese tea (https://thetea.app)
---
# Měnghǎi Zhānglǎng chá (勐海章朗茶)

**মেনহাই চাংলাং চা** (*Měnghǎi Zhānglǎng chá*, [勐海](https://thetea.app/bn/article/meng-hai)章朗茶) — ইউন্নান প্রদেশের শিশুয়াংবান্না-দাই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মেনহাই জেলার বাদা অঞ্চলের বুলাং গ্রাম চাংলাং-এর (章朗) চায়ের ভৌগোলিক চিহ্ন। চা-বিষয়ক প্রকাশনাগুলো চাংলাংকে শিশুয়াংবান্নার সবচেয়ে বড় বুলাং গ্রাম বলে অভিহিত করে, যেখানে বুলাং রীতিনীতি সবচেয়ে ভালোভাবে সংরক্ষিত; গ্রামটির নামের উৎপত্তি একটি সাদা হাতির কিংবদন্তি থেকে উদ্ভূত বলে কথিত আছে। চিহ্নটির নথিতে পণ্যের শ্রেণি উল্লেখ করা হয়নি; বর্ণনাগুলো পুরোনো গাছের পু-এর চা সম্পর্কে বলে।

**1. শ্রেণিবিন্যাস এবং উৎপত্তি:**

* **ধরন:** নির্ধারিত নয়: চিহ্নের নথিতে শ্রেণি উল্লেখ নেই। মেনহাইয়ের বড় পাতার কাঁচামাল থেকে প্রথমে শেং পু-এর (生普, *shēngpǔ*) তৈরি হয়, তবে লাল ও সাদা চাও তৈরি হয়। চা-বিষয়ক প্রকাশনাগুলো চাংলাংয়ের চাকে পু-এর হিসেবে বর্ণনা করে।
* **বিভাগ:** মেনহাইয়ের পুরোনো বাগানের চা; ভৌগোলিক চিহ্ন। তালিকায় এর ধরন স্পষ্ট করা হয়নি, তবে সংবাদমাধ্যমগুলো জেলার চিহ্নগুলোকে সার্টিফিকেশন চিহ্ন (证明商标) বলে।
* **উৎপত্তি:** চীন, ইউন্নান প্রদেশ (云南, *Yúnnán*), শিশুয়াংবান্না-দাই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল (西双版纳, *Xīshuāngbǎnnà*), মেনহাই জেলা (勐海县, *Měnghǎi Xiàn*), শিদিং উপজেলা (西定哈尼族布朗族乡, *Xīdìng*), চাংলাং গ্রাম — বর্ণনা অনুযায়ী, উপজেলা কেন্দ্রের দক্ষিণে। বাদা উপজেলা ২০০৫ সালে শিদিং-এর সঙ্গে একীভূত হয়।
* **সুরক্ষিত এলাকা:** তালিকায় মেনহাই জেলাকে চিহ্নধারীর প্রশাসনিক অধিভুক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; এলাকার আইনি সীমানা আমি যাচাই করিনি।
* **ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক:** প্রাপ্ত সূত্রে সঠিক স্থানাঙ্ক নেই। মেনহাই জেলা 21°28′ থেকে 22°28′ উত্তর অক্ষাংশ এবং 99°56′ থেকে 100°41′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত; বাদা এর পশ্চিম অংশ, আর পশ্চিম ও দক্ষিণে জেলাটি মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী।

**2. ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব:**

* **ইতিহাস:**
    * **গ্রামের বয়স।** বর্ণনাগুলো চাংলাংয়ের বয়স ১৪০০ বছরের বেশি বলে উল্লেখ করে — তাদের কথায়, গ্রামের মন্দিরের একটি শিলালিপিতে এমনটাই লেখা আছে। অন্য একটি বিবরণ অনুযায়ী, বুলাং পূর্বপুরুষেরা প্রায় দুই হাজার বছর আগে এখানে বসতি স্থাপন করেন এবং জায়গাটির নাম রাখেন চিংসান (景桑) — “যেখানে পূর্বপুরুষেরা বাস করতেন”। তবে কোনো নথিই আমি কোনো তারিখের বিষয়ে দেখিনি।
    * **সাদা হাতির কিংবদন্তি।** এটি সাদা হাতির প্রাচীন মন্দিরের (白象古寺) একটি ফলকে বর্ণিত। প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, ১৩৬৫ বছর আগে বুদ্ধের এক শিষ্য একটি সাদা হাতিতে চড়ে ধর্মপ্রচারে যাচ্ছিলেন। হাতিটি মাটি খুঁড়লে একটি ঝরনার উৎপত্তি হয় — “হাতির কুয়া”; হাতিটি যেখানে শুয়ে মাথা নাড়তে লাগল, সেখানে শিষ্য মন্দির ও গ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর নাম রাখেন চাংলাং — “যেখানে হাতি থেমেছিল”। অন্য বর্ণনাগুলো কিংবদন্তিটি ভিন্নভাবে বলে: হাতিটি শিলাবৃষ্টিসহ বরফ ঠান্ডা বৃষ্টিতে আটকা পড়ে, জমে গিয়ে আর এগোতে পারেনি, আর নামটির অর্থ করা হয় “যে গ্রামে হাতি জমে গিয়েছিল”। মন্দিরে তালপাতায় লেখা শতাধিক সূত্রের পুঁথি (贝叶经, *bèiyèjīng*) সংরক্ষিত আছে।
    * **বৌদ্ধধর্ম।** যে রচনায় ফলকের লেখা উদ্ধৃত হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে যে থেরবাদ বৌদ্ধধর্ম প্রায় দুই শত বছর আগে বুলাংদের সাধারণ ধর্ম হয়ে ওঠে — প্রাচীন মন্দিরের কিংবদন্তির সঙ্গে এর সামঞ্জস্য ভালো নয়।
    * **মেনহাইয়ের চিহ্ন।** ছাতা-সদৃশ চিহ্ন “勐海茶” ২০১২ সালে জেলার চা কেন্দ্র কর্তৃক আবেদনকৃত, ২০১৪ সালে নিবন্ধিত, ২০১৬ সালে ব্যবহারে আসে। ২০১৯ সালের শেষে ইউন্নানের জিআই চিহ্নের তালিকায় এর পরে পাহাড় ও গ্রামভিত্তিক পনেরোটি চিহ্ন রয়েছে, যার মধ্যে “勐海章朗茶”ও আছে। ২০২২ সালের সংবাদমাধ্যম জেলার ষোলোটি চিহ্নের কথা বলে — ছাতা-চিহ্নসহ মেনহাইয়ের চা চিহ্নের সংখ্যাও তালিকায় ততটিই।
* **নাম:** মন্দিরের কিংবদন্তি অনুযায়ী, “চাংলাং” (章朗) অর্থ “যেখানে হাতি থেমেছিল”; অন্য ব্যাখ্যায় — “যে গ্রামে হাতি জমে গিয়েছিল”। “মেনহাই” (勐海) — জেলার নাম, “চা” (茶) — চা।
* **সাংস্কৃতিক গুরুত্ব:** শিশুয়াংবান্নায় প্রচলিত ধারণা, এখানে প্রথম চা রোপণ করেছিলেন বুলাংরা: তারা যেখানে বাস করতেন, সেখানেই পুরোনো বাগান। বুলাংদের “পূর্বপুরুষের গান”-এ নায়ক-পূর্বপুরুষ বাইয়ানলেং (叭岩冷) উত্তরসূরিদের জন্য কুঁড়েঘর ও চা গাছ রেখে যান — “জীবনের লাঠি”।

**3. উদ্ভিদতাত্ত্বিক বিবরণ এবং কাঁচামাল:**

* **জাত / কাল্টিভার:** স্থানীয় বড় পাতার চা; প্রাপ্ত সূত্রে জাতের নাম নেই। বর্ণনাগুলো গ্রামের চারপাশে বন্য ও চাষকৃত পুরোনো গাছের পার্থক্য করে: বন্য গাছ গ্রামের আশপাশের বনে জন্মে, চাষকৃত গাছ বড় বনের গাছের মাঝে ছোট ছোট দলে ছড়িয়ে থাকে।
* **পাতা:** উপবৃত্তাকার, উত্তল পৃষ্ঠ, বাঁকানো বা ভেতরের দিকে ভাঁজ করা, নরম; ডগা ক্রমশ বা লেজের মতো সরু, গোড়া কীলকাকার। পাতার রং বর্ণনাভেদে ভিন্ন: হলুদ-সবুজ বা গাঢ় সবুজ।
* **তোলা:** প্রাপ্ত সূত্রে সময় উল্লেখ নেই। গাছগুলো উঁচু: বর্ণনায় বলা হয়, পাতার জন্য বাঁশের মই বেয়ে উঠতে হয়, আর এক লেখক বর্ণনা করেছেন কীভাবে কৃষকেরা বনে গাছে চড়েন।
* **তোলার মান:** প্রাপ্ত সূত্রে দেওয়া নেই।
* **কাঁচামালের প্রয়োজনীয়তা:** চিহ্নের প্রয়োজনীয়তা আমি দেখিনি।

**4. টেরোয়ার এবং চাষের বিশেষত্ব:**

* **অঞ্চল:** মেনহাই জেলার পশ্চিমে মিয়ানমার সীমান্তের কাছে বাদা অঞ্চল; বাগানগুলো গ্রাম ঘিরে থাকে এবং এর পেছনের বনে বিস্তৃত।
* **উৎপাদন উচ্চতা:** বর্ণনায় ভিন্নতা: গ্রামটি **১৩৩০ মি** বা অন্য বর্ণনায় ১৬০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় অবস্থিত।
* **জলবায়ু:** যে বর্ণনায় উচ্চতা ১৩৩০ মি বলা হয়েছে, সেখানে গড় বার্ষিক তাপমাত্রা ২১.৫ °সে, বার্ষিক বৃষ্টিপাত ১৫৩০ মিমি। সামগ্রিকভাবে বাদা অঞ্চলের জন্য বর্ণনায় গড় বার্ষিক তাপমাত্রা প্রায় ২০ °সে, পাশের মানমাইয়ের জন্য বছরে ১২৬টি কুয়াশাচ্ছন্ন দিনের কথা বলা হয়েছে।
* **মাটি:** বাদা অঞ্চলের জন্য বর্ণনায় হলুদ-বাদামি ও হলুদ মাটির (黄棕壤、黄壤) কথা বলা হয়েছে; চাংলাংয়ের জন্য আলাদা তথ্য নেই।
* **আয়তন:** অনুমানে ভিন্নতা: ৫০০-এর বেশি মু, ৭০০ মু-এর বেশি (বাদার সবচেয়ে বড় বাগান) বা প্রায় এক হাজার মু, যার বেশির ভাগ দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল। চাংলাং, মানমাইদুই ও মানপালের আশপাশের বাদার সব পুরোনো বাগানের সম্মিলিত আয়তন বর্ণনায় প্রায় ৩৪৫১ মু ধরা হয়েছে।

**5. উৎপাদন প্রযুক্তি:**

চিহ্নের অধীনে চায়ের প্রযুক্তি প্রাপ্ত সূত্রে বর্ণিত হয়নি। পুরোনো গাছের শেং পু-এরের স্বাভাবিক ধাপ নিম্নরূপ:

1.  **তোলা (采摘, *cǎizhāi*).**
2.  **পাতা ঠান্ডা করা (摊晾, *tānliàng*).**
3.  **কড়াইয়ে তাপ প্রয়োগ (杀青, *shāqīng*).**
4.  **মোচড়ানো (揉捻, *róuniǎn*).**
5.  **রোদে শুকানো (晒干, *shàigān*):** এতে পাওয়া যায় আলগা মাওচা ([晒青](https://thetea.app/bn/article/shai-qing)毛茶, *shàiqīng máochá*)।
6.  **চাপ দেওয়া (紧压, *jǐnyā*):** আবশ্যিক নয়।

এটি শ্রেণির সাধারণ রূপরেখা, মেনহাই চাংলাং চায়ের প্রযুক্তির বর্ণনা নয়।

**6. ইন্দ্রিয়গত বৈশিষ্ট্য:**

নিচের বর্ণনাগুলো চা-বিষয়ক প্রকাশনা ও বিক্রেতারা চাংলাংয়ের পুরোনো গাছের পু-এরের জন্য দেন; চিহ্নের পণ্যের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ এগুলো যুক্ত করেননি।

* **শুকনো পাতার চেহারা:** ঘন পাকানো, কালো ও চকচকে (条索紧结黑亮)।
* **শুকনো পাতার সুবাস:** প্রাপ্ত সূত্রে বর্ণনা নেই।
* **চায়ের সুবাস:** তীব্র “পাহাড়ি-বনজ” ঘ্রাণ (山野气强); সুবাস, বর্ণনা অনুযায়ী, কাপের তলায় লেগে থাকে। একে ফুল-মধুর, উজ্জ্বল ও উচ্চ (花蜜香显著而高扬) বলা হয়, অন্য বর্ণনায় — বরই ও মধুর ঘ্রাণ (梅子香、蜜香)।
* **স্বাদ:** বর্ণনায় মতভেদ। একটি: তিক্ততা ও কষাটে ভাব স্পষ্ট, চায়ের মধ্যে মিষ্টতা আছে, “চায়ের শক্তি” তীব্র। অন্যটি: চা কোমল ও পূর্ণ, নরম ও মসৃণ, তিক্ততা তীব্র, কষাটে ভাব হালকা, মিষ্টি প্রত্যাবর্তন দেরিতে আসে কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী। তৃতীয়টি চাটিকে বুলাংশানের চায়ের সঙ্গে তুলনা করে: জিভের গভীরে ও তালুতে হালকা তিক্ততা, শরীর বরং জলীয়, তৃতীয় নিষেকের পর চা নরম হয়, আর জিভে শীতলতা থেকে যায়। বর্ণনা দিয়ে কোনটি সঠিক তা নির্ধারণ করা যায় না।
* **চায়ের রং:** সোনালি-হলুদ, উজ্জ্বল (汤色金黄明亮)।
* **চায়ের তলানি (ভেজানো পাতা):** হলুদ-সবুজ, সমান (叶底黄绿匀齐); এক বর্ণনায় — হলুদ-সবুজ বা হলুদ, নরম ও সমান, কুঁড়িসহ পাতা কাণ্ডে লেগে থাকে।

**7. রাসায়নিক গঠন:**

প্রাপ্ত সূত্রে ভৌত-রাসায়নিক তথ্য নেই।

**8. উপকারী বৈশিষ্ট্য:**

ঠিক এই চায়ের প্রভাব সম্পর্কে যাচাইকৃত তথ্য নেই।

**9. পানপ্রস্তুতি:**

শ্রেণির প্রচলন। চিহ্নে শ্রেণি নেই; নিচের নির্দেশনা শেং পু-এরের জন্য, যেভাবে চা-বিষয়ক প্রকাশনায় চাংলাংয়ের চা বর্ণিত হয়েছে।

* **পানির তাপমাত্রা:** ৯৫–১০০ °সে।
* **চায়ের পরিমাণ:** ১১০–১৫০ মিলির জন্য ৫–৮ গ্রাম।
* **পাত্র:** গাইওয়ান বা মাটির চায়ের পাত্র।
* **প্রক্রিয়া:**
    1. পাত্র গরম করা।
    2. চা দেওয়া; চাপ দেওয়া চা হলে সাবধানে ভাঙতে হবে, পাতা গুঁড়ো না করে।
    3. ফুটন্ত পানিতে ছোট করে ধুয়ে পানি ফেলে দেওয়া।
    4. প্রথম নিষেকগুলো — ১০–১৫ সেকেন্ড।
    5. সম্পূর্ণ ঢেলে দেওয়া।
    6. প্রতি নিষেকে সময় বাড়ানো।

**10. সংরক্ষণ:**

শ্রেণির প্রচলন। শেং পু-এর শুকনো, পরিষ্কার, বায়ুচলাচলযুক্ত জায়গায় আলো ও বাইরের গন্ধ থেকে দূরে, শ্বাস-প্রশ্বাসযোগ্য মোড়কে রাখা হয়। এই চা বছরের সঙ্গে সঙ্গে বদলায়, তাই অনেক সময় ইচ্ছা করেই পুরোনো করা হয়।

**11. মূল্য এবং নকল:**

প্রাপ্ত সূত্রে মূল্যের তথ্য নেই।

* **নকল এড়ানোর উপায়:**
    * “勐海章朗茶” চিহ্ন খোঁজা এবং যাচাই করা যে উৎপাদক মেনহাই জেলার।
    * মনে রাখা যে বাদা অঞ্চলে অন্য চিহ্নও আছে — “[勐海贺松茶](https://thetea.app/bn/article/menghai-hesong-cha)” এবং “[勐海巴达曼迈茶](https://thetea.app/bn/article/menghai-bada-manmai-cha)”: “বাদার চা” মানেই “চাংলাংয়ের চা” নয়।
    * বর্ণনার সঙ্গে চেহারা মেলানো: কালো ঘন পাতা, সোনালি-হলুদ চা।

**12. মজার তথ্য:**

* মন্দিরের কিংবদন্তি অনুযায়ী গ্রামের নামের অর্থ “যেখানে হাতি থেমেছিল”, আর গ্রামে আছে “হাতির কুয়া”।
* সাদা হাতির মন্দিরে তালপাতার সূত্র পুঁথি সংরক্ষিত আছে।
* বিখ্যাত গ্রামের যে নির্দেশিকায় আমাদের বিশ্বকোষ নির্ভর করে, তাতে বাদাকে চাংলাংয়ের সঙ্গে “পাহাড়ি-বনজ চরিত্র, ঘনত্ব” (山野气, 厚) প্রোফাইলে লেখা হয়েছে।
* বাদার সেই অঞ্চলেই, হেসুন গ্রামের কাছে, ১৭০০ বছরের বেশি পুরোনো একটি বন্য চা গাছ ছিল; ২০১২ সালে এটি ভেঙে পড়ে।

**13. প্রতিবেশী চায়ের সঙ্গে তুলনা:**

* **মেনহাই বাদা মানমাই চা (勐海[巴达](https://thetea.app/bn/article/qianjiazhai-bada)曼迈茶):** একই বাদা অঞ্চলের পাশের বুলাং গ্রামের চিহ্ন।
* **ছিয়ানচিয়াচাই এবং বাদা (千家寨 · 巴达):** আমাদের বিশ্বকোষের বন্য পিতৃগাছ নিয়ে নিবন্ধ; সেখানে বাদাকে চাংলাংয়ের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
* **বুলাংশান ([布朗山](https://thetea.app/bn/article/bu-lang-shan)):** জেলার দক্ষিণ-পূর্বের পর্বতশ্রেণি; একটি বর্ণনায় চাংলাংয়ের চায়ের স্বাদের সঙ্গে এর তুলনা করা হয়েছে।
* **মেনহাই (勐海):** জেলা এবং ছাতা-চিহ্ন।

**উপসংহারে:**

মেনহাই চাংলাং চা — শিশুয়াংবান্নার সবচেয়ে বড় বুলাং গ্রামের চিহ্ন, যেখানে আছে সাদা হাতির মন্দির, তালপাতার সূত্র পুঁথি এবং বনের পুরোনো বাগান। জানা তথ্য সামান্য: উচ্চতা ১৩৩০ মি বা অন্য বর্ণনায় ১৬০০ মিটারের বেশি, সোনালি-হলুদ চা এবং ফুল-মধুর সুবাস। স্বাদের বর্ণনায় মতভেদ রয়েছে, আর চিহ্নটি পণ্যের শ্রেণি নির্দিষ্ট করে না।
