---
title: "Gǔtián hóngchá"
url: https://thetea.app/bn/article/gutian-hongcha
lang: bn
updated: 2026-10-04
source: THE TEA — encyclopedia of Chinese tea (https://thetea.app)
---
# Gǔtián hóngchá (古田红茶)

**গুতিয়ান হংচা** (*Gǔtián hóngchá*, 古田红茶) — ফুচিয়ান প্রদেশের নিংতে সিটি প্রশাসনিক এলাকার অন্তর্গত গুতিয়ান কাউন্টির (古田县) একটি লাল চা। গুতিয়ান মূলত “চীনের সিলভার মাশরুমের জন্মভূমি” হিসেবে পরিচিত, তবে এর চায়ের অতীতও আছে: কাউন্টি চা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, দাওগুয়াং আমলে এখানে সিয়াওচুং তৈরি শুরু হয় এবং কাউন্টিটি উইশানের বাইরে “বাহ্যিক সিয়াওচুং” — অর্থাৎ সিয়াওচুং-ঘরানার লাল চা উৎপাদনকারী একটি পরিচিত অঞ্চলে পরিণত হয়। বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে কাউন্টির চা শিল্প বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, ২০০০-এর দশকে তা পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু হয় এবং ২০১৮ সালে “古田红茶” নামটি ভৌগোলিক সার্টিফিকেশন চিহ্ন হিসেবে নিবন্ধিত হয়।

**1. শ্রেণিবিভাগ ও উৎপত্তি:**

* **ধরন:** লাল চা (红茶, *hóngchá*), সম্পূর্ণ গাঁজানো। শ্রেণির নাম চায়ের নামেই বিদ্যমান; প্রদেশিক তালিকায় চিহ্নের পণ্য হিসেবে বৃহত্তর অর্থে “চা” লেখা হয়েছে।
* **বিভাগ:** ভৌগোলিক সার্টিফিকেশন চিহ্নসহ ফুচিয়ান লাল চা (২০১৮); ঐতিহাসিকভাবে — বাহ্যিক সিয়াওচুং অঞ্চল।
* **উৎপত্তি:** চীন, ফুচিয়ান প্রদেশ (福建, *Fújiàn*), নিংতে সিটি প্রশাসনিক এলাকা (宁德, *Níngdé*), গুতিয়ান কাউন্টি (古田, *Gǔtián*)।
* **সুরক্ষিত অঞ্চল:** প্রদেশিক তালিকায় চিহ্নধারীর প্রশাসনিক অধিভুক্তি হিসেবে গুতিয়ান কাউন্টিকে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাপ্ত সূত্রে অঞ্চলটির আইনি সীমানা নেই।
* **সুরক্ষা ব্যবস্থা:** চীনের রাষ্ট্রীয় মেধাস্বত্ব প্রশাসনের (CNIPA) ভৌগোলিক সার্টিফিকেশন চিহ্ন নং ১৮৭৯১৭২১, শ্রেণি ৩০, পণ্য — চা। প্রদেশিক তালিকা অনুযায়ী নিবন্ধনের তারিখ — ১৪ এপ্রিল ২০১৮; ধারক — গুতিয়ান কাউন্টি চা প্রশাসন (古田县茶业管理局)। ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে নিবন্ধন সক্রিয় বলে বিবেচিত।

**2. ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব:**

নিচের তথ্য, ভিন্ন উল্লেখ না থাকলে, ২০১৯ সালের উপকরণ — চায়না রেডিও ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদন, প্রদেশিক কৃষি পোর্টালের নিবন্ধ এবং একটি শিল্প-বিষয়ক রচনা — থেকে নেওয়া, যার ভিত্তি কাউন্টি চা প্রশাসন।

* **ইতিহাস:**
    * **দাওগুয়াং আমল।** প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, গুতিয়ান “首创” — অর্থাৎ সর্বপ্রথম — সিয়াওচুং (首创小种红茶) তৈরি শুরু করে এবং “বাহ্যিক সিয়াওচুং”-এর (外山小种红茶, *wàishān xiǎozhǒng hóngchá*) একটি পরিচিত অঞ্চলে পরিণত হয় — এভাবেই একে উইশানের চেং শান সিয়াও চুং থেকে আলাদা করা হয়। উইশানের তুংমু অঞ্চলের প্রথমত্বের সঙ্গে এই “প্রথম” কীভাবে সম্পর্কিত, তা সূত্র ব্যাখ্যা করে না। চীনা উইকিপিডিয়াও চেংহে, তানিয়াং ও শাশিয়ানের সঙ্গে গুতিয়ানকে বাহ্যিক সিয়াওচুং-এর প্রধান অঞ্চলগুলোর একটি বলে উল্লেখ করে।
    * **মাল পরিবর্তনের কেন্দ্র।** পাঁচটি বন্দর খোলার পর ফুচিয়ান চায়ের রপ্তানি ফুচৌ ও শিয়ামেন হয়ে যেত। কাউন্টির শুইকৌ শহর (水口镇) — মিনচিয়াং নদীর মধ্যপ্রবাহে নানপিং, সানমিং, ফুচৌ ও নিংতের সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি কেন্দ্র — গুতিয়ানকে মাল পরিবর্তনের কেন্দ্রে পরিণত করে, যার মধ্য দিয়ে উইশান রক চা ও চেং শান সিয়াও চুং বাজারে যেত।
    * **১৯৭০–১৯৮০-এর দশক।** সব ১৫টি জনপদ ও শহরে চা স্টেশন ও সমবায় চা খামার ছিল, বাগানের আয়তন প্রায় ৫০ হাজার মু-তে পৌঁছেছিল, “郁露” ও “馨绿” চা পরিচিতি পেয়েছিল। চা উৎপাদনে কাউন্টি প্রদেশে দ্বাদশ স্থানে ছিল এবং ১৯৮০ সালে প্রদেশের কৃষি প্রশাসন একে গুরুত্বপূর্ণ চা কাউন্টির তালিকাভুক্ত করে।
    * **অবনতি।** উপকরণে সময় নিয়ে পার্থক্য আছে: একটি অবনতির শুরু ১৯৮০-এর দশকের শেষে, অন্যটি কেবল ১৯৮০-এর দশকে বলছে। বাগান পরিত্যক্ত হতো, পীচ ও অন্যান্য ফলের বাগানে রূপান্তরিত হতো, আর শ্রমিকরা মাশরুম চাষে চলে যেত। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৬ সালের মধ্যে ৩৩০৪ মু বাগান পরিত্যক্ত হয়, ২৩৭১ মু বনে ও ২৪৪ মু ফল বাগানে রূপান্তরিত হয়। সবচেয়ে খারাপ বছরগুলোতে কাউন্টিতে প্রায় ১০ হাজার মু চা বাগান অবশিষ্ট ছিল।
    * **পুনরুদ্ধার।** শিল্প-বিষয়ক রচনা অনুযায়ী, ২০০৫ সাল থেকে অবস্থার উন্নতি হতে শুরু করে, যখন কাউন্টি ট্রেডমার্ক নিবন্ধনে মনোযোগ দেয়, যার মধ্যে “翠屏湖” ও “古田红茶” ছিল; ২০১৮ সালে “古田红茶” ভৌগোলিক সার্টিফিকেশন চিহ্ন লাভ করে। প্রশাসন জানায় যে চাটি “চুংচা বেই” (中茶杯) ও “মিংচা বেই” (闽茶杯) প্রতিযোগিতায় একাধিকবার স্বর্ণপদক পেয়েছে।
    * **২০১৮।** প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, কাউন্টির চা বাগানের আয়তন ছিল ৩৩ হাজার মু, যার মধ্যে ১২ হাজার মু উলং জাত; কাঁচা চা উৎপাদন — ১৬৮০ টন, পণ্যমূল্য — প্রায় ১০ কোটি ইউয়ান।
* **নাম:** “গুতিয়ান” (古田) — কাউন্টির নাম, আক্ষরিক অর্থে “পুরোনো মাঠ”; “হংচা” (红茶) — “লাল চা”।
* **সাংস্কৃতিক গুরুত্ব:** অতীতে গুতিয়ান লোহা, কড়াই ঢালাই, খামির ও চায়ের জন্য বিখ্যাত ছিল; চু শি (朱熹) কিছুকাল এখানে বসবাস করেছিলেন বলে একে “যে অঞ্চল দিয়ে জ্ঞানী মানুষ গেছেন” (先贤过化之乡) বলা হয়। শিল্প-বিষয়ক রচনা অনুযায়ী, আজ কাউন্টিটি বিশ্বের সিলভার মাশরুম ফসলের প্রায় ৮০% উৎপাদন করে। কাউন্টির মতে লাল চা তার দুটি প্রধান চা নামের একটি — অপরটি হলো সাধারণ ব্র্যান্ড “翠屏湖”, যা কাউন্টির প্রধান দর্শনীয় স্থান ৎসুইপিংহু হ্রদের নামে নামাঙ্কিত।

**3. উদ্ভিদতাত্ত্বিক বিবরণ ও কাঁচামাল:**

* **জাত / কালটিভার:** কোন জাতগুলো নির্দিষ্টভাবে লাল চায়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রাপ্ত সূত্রে বলা নেই। কাউন্টি চা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, কাউন্টিতে পূর্ববর্তী জাত মেইচান (梅占), সিয়াওচুং ৎসাইছা (小种菜茶) ও ফু’আন দাবাই ([福安](https://thetea.app/bn/article/fuan)大白) সংরক্ষিত আছে। ২০০৫ সাল থেকে প্রায় ৪৫০০ মু উলং জাত তে কুয়ানইন ([铁观音](https://thetea.app/bn/article/tie-guanyin)) ও চিন কুয়ানইন ([金观音](https://thetea.app/bn/article/jin-guanyin)) আনা হয়েছে, ২০১১ সাল থেকে — উত্তর ফুচিয়ানের উলং জাত, প্রায় ৩৫০০ মু।
* **তোলার মান:** প্রাপ্ত সূত্রে কোনো তথ্য নেই।
* **তোলার সময়:** প্রাপ্ত সূত্রে কোনো তথ্য নেই।
* **কাঁচামালের প্রয়োজনীয়তা:** প্রাপ্ত সূত্রে কাঁচামালের প্রয়োজনীয়তার কোনো নথি নেই।

**4. তেরোয়ার ও চাষের বিশেষত্ব:**

* **অঞ্চল:** নিংতে জেলা, চারটি সিটি প্রশাসনিক এলাকার সংযোগস্থলে — নানপিং, সানমিং, ফুচৌ ও নিংতে; কাউন্টির মধ্য দিয়ে মিনচিয়াং নদীর মধ্যপ্রবাহ প্রবাহিত। শিল্প-বিষয়ক রচনা অনুযায়ী, ৎসুইপিংহু হ্রদের (翠屏湖) পাশে আগে তিন হাজার মু-এরও বেশি জমিতে একটি রাষ্ট্রীয় চা খামার ছিল।
* **বাগান:** ২০১৯ সালের প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, কাউন্টিতে ৮০০০ মু-এর বেশি “পরিবেশবান্ধব” বাগান তৈরি হয়েছে, ৩০টির বেশি চা কারখানা কাজ করছে।
* **উচ্চতা, জলবায়ু, মাটি:** প্রাপ্ত সূত্রে কোনো তথ্য নেই।

**5. উৎপাদন প্রযুক্তি:**

প্রাপ্ত সূত্রে গুতিয়ান লাল চায়ের প্রযুক্তি নেই। কাউন্টি চা প্রশাসন কেবল জানায় যে তারা বিখ্যাত চা অঞ্চল থেকে দক্ষ কারিগর এনেছিল এবং নিজেদের লোকদের সেখানে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠিয়েছিল। ২০১৯ সালে প্রশাসন “古田红茶”-এর স্থানীয় মান প্রণয়নের পরিকল্পনা করেছিল; তা গৃহীত হয়েছে কি না, প্রাপ্ত সূত্রে বলা নেই।

নিচে লাল চায়ের সাধারণ প্রক্রিয়া, গুতিয়ানের প্রযুক্তির বিবরণ নয়:

1.  **শুকিয়ে নরম করা (萎凋, *wěidiāo*):** পাতা আংশিক আর্দ্রতা হারিয়ে নরম হয়।
2.  **পাকানো (揉捻, *róuniǎn*):** রস পাতার পৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে।
3.  **গাঁজন (发酵, *fājiào*):** জারণ প্রক্রিয়ায় নিঃসরণের লাল রং তৈরি হয়।
4.  **শুকানো (干燥, *gānzào*).**

আজ গুতিয়ানে ধোঁয়া দিয়ে সিয়াওচুং তৈরি হয় কি না, নাকি গংফু-লাল চা, প্রাপ্ত সূত্রে তা নিশ্চিত করা যায় না।

**6. ইন্দ্রিয়গত বৈশিষ্ট্য:**

চিহ্নের নথি বা কোনো সরকারি সূত্র থেকে চায়ের চেহারা ও স্বাদের বিবরণ আমি খুঁজে পাইনি।

* **শুকনো পাতার চেহারা:** প্রাপ্ত সূত্রে কোনো তথ্য নেই।
* **শুকনো পাতার সুগন্ধ:** প্রাপ্ত সূত্রে কোনো তথ্য নেই।
* **নিঃসরণের সুগন্ধ:** প্রাপ্ত সূত্রে কোনো তথ্য নেই।
* **স্বাদ:** প্রাপ্ত সূত্রে কোনো তথ্য নেই।
* **নিঃসরণের রং:** প্রাপ্ত সূত্রে কোনো তথ্য নেই।
* **চায়ের তলানি (ভেজানো পাতা):** প্রাপ্ত সূত্রে কোনো তথ্য নেই।

**7. রাসায়নিক গঠন:**

প্রাপ্ত সূত্রে এই চায়ের ভৌত-রাসায়নিক তথ্য নেই।

**8. উপকারী বৈশিষ্ট্য:**

এই নির্দিষ্ট চায়ের প্রভাব সম্পর্কে যাচাইকৃত তথ্য নেই।

**9. পানীয় প্রস্তুতি:**

লাল চায়ের জন্য শ্রেণির সাধারণ পদ্ধতি।

* **পানির তাপমাত্রা:** ৯০–৯৫ °C।
* **চায়ের পরিমাণ:** ১৫০ মিলিলিটারে ৩–৪ গ্রাম।
* **পাত্র:** সাদা পোর্সেলিন গাইওয়ান বা ছোট চায়ের পাত্র।
* **প্রক্রিয়া:**
    1. পাত্র গরম করা।
    2. চা দেওয়া।
    3. প্রথম নিঃসরণ — ১০–২০ সেকেন্ড।
    4. সম্পূর্ণ ঢেলে ফেলা।
    5. প্রতিটি পরবর্তী নিঃসরণ — সামান্য বেশি সময়।
    6. চার থেকে ছয়বার পানি দেওয়া।

**10. সংরক্ষণ:**

শ্রেণির সাধারণ পদ্ধতি। বায়ুরোধী প্যাকেটে, ঘরের তাপমাত্রায়, শুকনো অন্ধকার জায়গায়, বাইরের গন্ধমুক্ত অবস্থায়। সবুজ চায়ের চেয়ে লাল চা সংরক্ষণ ভালো সহ্য করে, তবে সময়ের সঙ্গে সুগন্ধ দুর্বল হয়।

**11. দাম ও নকল:**

প্রাপ্ত সূত্রে দামের কোনো তথ্য নেই।

* **নকল এড়ানোর উপায়:**
    * প্যাকেটে ভৌগোলিক নির্দেশক চিহ্ন খোঁজা; চিহ্নের নম্বর — ১৮৭৯১৭২১।
    * নিশ্চিত হওয়া যে চা গুতিয়ান কাউন্টিতে তৈরি।
    * মনে রাখা যে “外山小种” উৎপত্তির নিশ্চয়তা দেয় না: একে বহু কাউন্টির সিয়াওচুং বলা হয়।

**12. মজার তথ্য:**

* চিহ্নের ধারক — প্রদেশিক তালিকায় নিংতে জেলার অন্য চা চিহ্নগুলোর মতো কোনো সংগঠন নয়, বরং কাউন্টি চা প্রশাসন।
* ২০১৯ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হেতাং শহরের (鹤塘) একটি চা সমবায়ের লাল চা “闽之艳” ১৩তম চীন শি’আন আন্তর্জাতিক চা প্রদর্শনীতে বিশেষ স্বর্ণপদক পেয়েছে।

**13. অন্যান্য ফুচিয়ান লাল চায়ের সঙ্গে তুলনা:**

* **চেং শান সিয়াও চুং ([正山小种](https://thetea.app/bn/article/zheng-shan-xiao-zhong)):** উইশানের তুংমু অঞ্চলের সিয়াওচুং; নামেই গুতিয়ানের বাহ্যিক সিয়াওচুং থেকে এর পার্থক্য নির্দেশিত।
* **শাশিয়ান গংফু চা ([沙县工夫茶](https://thetea.app/bn/article/shaxian-gongfu-cha)):** শাশিয়ানের লাল চা — যে অঞ্চলকে উইকিপিডিয়া বাহ্যিক সিয়াওচুং অঞ্চলের তালিকায় গুতিয়ানের পাশে রাখে।
* **চেংহে গংফু ([政和工夫](https://thetea.app/bn/article/zhenghe-gongfu)):** একই তালিকার উত্তর ফুচিয়ানের গংফু-লাল চা।
* **তানিয়াং গং ফু ([坦洋工夫](https://thetea.app/bn/article/tanyang-gong-fu)):** একই নিংতে জেলার গংফু-লাল চা, “ফুচিয়ানের তিন মহান গংফুর” একটি।
* **পিংনান সিয়াওচুং ([屏南小种](https://thetea.app/bn/article/pingnan-xiaozhong)):** একই নিংতে জেলার পিংনান কাউন্টির সিয়াওচুং লাল চা, যা ২০১৮ সালে নিজস্ব চিহ্ন পেয়েছে।

**উপসংহারে:**

গুতিয়ান হংচা — দীর্ঘ স্মৃতির কিন্তু স্বল্প নথিপত্রের একটি নাম। কাউন্টি নিজেকে দাওগুয়াং আমল থেকে বাহ্যিক সিয়াওচুং অঞ্চল এবং উইশান চায়ের মাল পরিবর্তনের কেন্দ্র হিসেবে মনে রাখে, ১৯৮০-এর দশকে বাগানের অবনতি সহ্য করেছে এবং ২০১৮ সালের চিহ্নের মাধ্যমে নিজের লাল নাম ফিরে পেয়েছে। চাটি নিজে কেমন হওয়া উচিত — চেহারা, স্বাদ, জাত, প্রযুক্তি — প্রাপ্ত সূত্র এখনো তা বলে না।
